ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর (আইপত্রিকা ডেস্ক): দেশের শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব দূরীকরণ এবং আধুনিক উৎপাদনশীল খাতে দক্ষ জনবল জোগান দিতে সাধারণ উচ্চশিক্ষার চেয়ে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষায় রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ ও নীতিগত গুরুত্ব বাড়ানোর জোর দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদরা। রাজধানীর একটি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘আগামীর বাংলাদেশ: দক্ষ মানবসম্পদ ও প্রযুক্তি শিক্ষা’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে এ মতামত উঠে আসে।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, প্রতি বছর সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে লাখ লাখ শিক্ষার্থী তাত্ত্বিক ডিগ্রি নিয়ে বের হলেও দেশীয় শিল্পকারখানায় প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিজ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতার তীব্র সংকট দেখা যাচ্ছে। এর ফলে উচ্চশিক্ষিত বেকারদের সংখ্যা বাড়লেও শিল্প খাতকে উচ্চ বেতনে বিদেশি টেকনিশিয়ানদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এই অসঙ্গতি দূর করতে পলিটেকনিক ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের ল্যাব ও আধুনিক যন্ত্রপাতি নিশ্চিত করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা প্রস্তাব করেন, মাধ্যমিক স্তর থেকেই অন্তত একটি ভোকেশনাল বা আইটি ট্রেড বাধ্যতামূলক করা উচিত। রোবটিক্স, আইওটি, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং আধুনিক সিএনসি মেশিনিংয়ের মতো বাজারমুখী বিষয়গুলোকে পাঠ্যসূচির কেন্দ্রীয় অংশে নিয়ে আসতে হবে। একই সাথে শিল্প প্রতিষ্ঠানের সাথে ইন্টার্নশিপ ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণকে জাতীয় স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন এবং তারা কারিগরি শিক্ষার প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে বিশেষ প্রণোদনা ও উপবৃত্তি কার্যক্রম সম্প্রসারণের আশ্বাস দেন।






