মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে প্রান্তিক স্বাস্থ্যসেবায় তথ্যপ্রযুক্তির মানবিক মেলবন্ধন ঘটিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিটি ক্লিনিক ট্রাস্ট। কুড়িগ্রাম, বান্দরবান ও পটুয়াখালীর ১০০টি প্রত্যন্ত কমিউনিটি ক্লিনিকে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে পোর্টেবল ব্যাটারিচালিত এআই আল্ট্রাসনোগ্রাফি সেবা।
**টেলিমেডিসিন সেবার কার্যপ্রণালী:** - **হ্যান্ডহেল্ড আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান:** প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি) মুঠোফোনের আকৃতির ছোট ডিভাইস পেটের ওপর ঘুরিয়ে ছবি তোলেন। - **এআই প্রাক-বিশ্লেষণ:** কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তাৎক্ষণিক গর্ভস্থ শিশুর অবস্থান, প্লাসেন্টার জটিলতা ও অ্যামনিওটিক ফ্লুইডের পরিমাণ প্রাথমিক যাচাই করে। - **বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ:** লাইভ ফাইভ-জি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে জেলা সদর হাসপাতালের গাইনি কনসালট্যান্ট গর্ভবতী মায়ের প্রেসক্রিপশন প্রদান করেন। - **সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সেবা:** যেকোনো গ্রামীণ মা সম্পূর্ণ নিখরচায় এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সুবিধা পাচ্ছেন।
বান্দরবানের রুমা উপজেলার প্রসূতি মা রিংকি মারমা জানান, আগে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করাতে সারাদিন পথ পাড়ি দিয়ে বান্দরবান সদরে যেতে হতো। এখন নিজ পাড়াতেই কয়েক মিনিটে এই সেবা পাওয়ায় তাদের সময় ও অর্থ উভয়ই বেঁচে গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের অন্তত এক হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকে এই ডিভাইস সরবরাহ করা হবে।
