টাঙ্গাইলের পাথরাইল ও বাজিতপুরের তাঁতিপল্লীতে শত বছর ধরে চলে আসা সনাতন কাঠের তাঁতে যুক্ত হয়েছে আধুনিক ইলেকট্রনিক জ্যাকর্ড কন্ট্রোলার। একসময় যেখানে একটি নিখুঁত নকশার জামদানি বা ঐতিহ্যবাহী সুতি শাড়ি বুনতে দুই সপ্তাহ লেগে যেত, সেখানে নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগে মাত্র তিন দিনেই অপরূপ নকশা ফুটিয়ে তুলছেন কারিগররা।
আইপত্রিকার এক্সক্লুসিভ ভিডিও ডকুমেনটারিতে উঠে এসেছে টাঙ্গাইলের তাঁতপল্লীর এই নীরব অর্থনৈতিক রূপান্তরের চিত্র। ক্যামেরায় ধরা পড়ে কীভাবে কম্পিউটারে আঁকা নকশা নিমেষেই তাঁতের পাঞ্চকার্ডে স্থানান্তরিত হয়ে এক ইঞ্চি সূতার হেরফের ছাড়াই বোনা হচ্ছে।
প্রবীণ তাঁতশিল্পী রঘুনাথ বসাক জানান, নকশার নির্ভুলতা ও ফিনিশিং আন্তর্জাতিক মানের হওয়ায় ঢাকার অভিজাত ফ্যাশন হাউসগুলোর পাশাপাশি ভারত ও ইউরোপের বুটিক শপগুলো থেকে তারা নিয়মিত রফতানি অর্ডার পাচ্ছেন। ফলে অন্য পেশায় চলে যাওয়া তরুণ তাঁতিরাও আবার ঐতিহ্যের সুতোয় ফিরে আসছেন।
বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড জানিয়েছে, এই প্রযুক্তি সারা দেশের তাঁতপ্রধান এলাকাগুলোতে সম্প্রসারণ করতে বিশেষ জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ ও ডিজাইনিং সহায়তা চালু করা হয়েছে।
