বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে ডলার সংকট ও বৈদেশিক মুদ্রার চাপ কাটিয়ে সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ ব্যালেন্স অব পেমেন্টস (বিওপি) সংক্রান্ত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বৈদেশিক বাণিজ্যের 'চলতি হিসাবে' প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের উদ্বৃত্ত রেকর্ড করা হয়েছে।
**অর্থনৈতিক সূচকের প্রধান অগ্রগতি:** - **প্রবাসী আয়:** ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রতি মাসে গড়ে ২.২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসছে। - **আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ:** বিলাসবহুল ও অপ্রয়োজনীয় পণ্যের বদলে শিল্পের কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতিতে অগ্রাধিকার। - **রফতানি প্রবৃদ্ধি:** পোশাকের পাশাপাশি চামড়া, পাটজাত পণ্য ও কৃষিখাতে ধারাবাহিক রফতানি বৃদ্ধি। - **ডলার দরে স্থিতিশীলতা:** কার্ব মার্কেট ও অফিশিয়াল রেটের ব্যবধান শূন্য দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসা।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষকরা বলছেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়া এবং চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত ফিরে আসা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করছে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ জোরদার করতে হবে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা প্রত্যাবাসন সহজ রাখতে হবে।




