রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভাসমান কৃষিতে বায়ো-ফ্লক প্রযুক্তির সংযোগ: বর্ষায় অতিরিক্ত আয়ে হাওরের কৃষকদের চমক

সুনামগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বর্ষার পানিতে ভাসমান সবজি বেডের নিচে খাঁচায় মাছ চাষের সমন্বিত মডেলে পারিবারিক আয় দ্বিগুণ হয়েছে।

আইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক

প্রকাশ: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ পরিমার্জন: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভাসমান কৃষিতে বায়ো-ফ্লক প্রযুক্তির সংযোগ: বর্ষায় অতিরিক্ত আয়ে হাওরের কৃষকদের চমকপ্রতীকী ছবি
ভাসমান কৃষিতে বায়ো-ফ্লক প্রযুক্তির সংযোগ: বর্ষায় অতিরিক্ত আয়ে হাওরের কৃষকদের চমকছবি: iPotrika.com ডেস্ক
WhatsApp

বর্ষায় চার মাস জলমগ্ন থাকা হাওরবাসীদের জন্য আধুনিক সমন্বিত জলকৃষি নিয়ে এসেছে বিপুল অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ কারিগরি সহায়তায় সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওরে চালু হয়েছে 'ভাসমান সবজি ও খাঁচায় মাছ চাষের স্মার্ট ইকো-মডেল'।

**এক নজরে প্রধান বৈশিষ্ট্য ও সুফল:** - **দ্বিমুখী উৎপাদন:** কচুরিপানার ভাসমান বেডের ওপরে লালশাক, কলমি ও শসা; পানির নিচে জালঘেরা খাঁচায় কৈ ও তেলাপিয়া চাষ। - **প্রাকৃতিক পুষ্টি চক্র:** মাছের রেচন পদার্থ পচে গিয়ে ভাসমান সবজির শিকড়ে প্রাকৃতিক সার হিসেবে কাজ করে। - **শূন্য রাসায়নিক প্রয়োগ:** কোনো কৃত্রিম কীটনাশক ব্যবহার করতে হয় না, ফলে উৎপাদিত সবজি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অর্গানিক। - **ব্যয় সাশ্রয়:** স্বাভাবিক চাষের চেয়ে উৎপাদন ব্যয় প্রায় ৩০ শতাংশ কম।

হাওরের কৃষক নিখিল দাস জানান, আগে বছরের এই সময়টায় তাদের দিনমজুরি ছাড়া কোনো কাজ থাকত না। এবার মাত্র দুটি ভাসমান ইউনিটে আড়াই মাসে প্রায় ৬০ হাজার টাকার মাছ ও সবজি বিক্রি করেছেন তিনি।

কৃষিবিদরা বলছেন, হাওরের লাখো হেক্টর উন্মুক্ত জলরাশিকে এভাবে উৎপাদনশীলতায় রূপান্তর করা গেলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নীরব বিপ্লব ঘটে যাবে।

এই সংবাদটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

একটি বা একাধিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারেন

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও সংবাদ

আগাম রবি ফসল উৎপাদনে কৃষককে কারিগরি সহায়তা: মাঠে কৃষি অধিদপ্তরের মনিটরিং টিম

অতিরিক্ত আর্দ্রতা থেকে বীজতলা বাঁচাতে পলিহাউস ও সুষম সার ব্যবহারের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬আইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক

আমন মৌসুমে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কুড়িগ্রামে অতিরিক্ত ৫০০ টন ইউরিয়া বরাদ্দ, ৬৪ জেলায় তদারকি

কৃত্রিম সংকট ও মজুতদারি রুখতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান, অক্টোবরের শতভাগ বরাদ্দ সম্পন্ন

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬আইপত্রিকা প্রধান সম্পাদক