বিপদে পড়া সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় পুলিশ সদর দপ্তর পরিচালিত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যুক্ত হয়েছে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন স্পিচ-টু-টেক্সট ও স্বয়ংক্রিয় ডিসপ্যাচ প্রযুক্তি। বাংলাদেশ পুলিশের টেলিকম অ্যান্ড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট (টিআইএম) শাখা এই সিস্টেমের আনুষ্ঠানিক ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে।
**৯৯৯-এর নতুন প্রযুক্তিগত সুবিধা:** - **বাংলা আঞ্চলিক ভাষা অনুধাবন:** কলার যে আঞ্চলিক টান বা ভাষাতেই কথা বলুন না কেন, এআই সফটওয়্যার তাৎক্ষণিক তা প্রমিত বাংলায় রূপান্তর করে কম্পিউটারে রেকর্ড করে। - **তাৎক্ষণিক জিপিএস ট্র্যাকিং:** মোবাইল অপারেটরের টাওয়ার লোকেশনের সাথে সমন্বয় করে কলারের সঠিক অবস্থান ম্যাপে ভেসে ওঠে। - **স্মার্ট ডিসপ্যাচিং:** সংশ্লিষ্ট থানার নিকটতম মোবাইল পেট্রোল টিম বা ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের রেডিওতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বার্তা পৌঁছে যায়। - **রেসপন্স টাইম হ্রাস:** সেবা প্রদানের গড় সময় আগে যেখানে ১০ থেকে ১২ মিনিট ছিল, তা এখন মাত্র ৫ থেকে ৭ মিনিটে নেমে এসেছে।
পুলিশের ডিআইজি জানান, ভুয়া বা প্র্যাঙ্ক কল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিল্টার হয়ে যাওয়ায় প্রকৃত বিপদগ্রস্ত নাগরিকরা আর কোনো কল ওয়েটিংয়ের মুখোমুখি হচ্ছেন না।
নাগরিকরা বলছেন, প্রযুক্তির এই মানবিক ব্যবহার পুলিশি সেবা প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষের আস্থাকে বহুলাংশে সুদৃঢ় করেছে।
