দেশের মফস্বল ও দুর্গম এলাকার স্কুলগুলোতে বিজ্ঞান ও গণিত শিক্ষকের তীব্র ঘাটতি দূর করতে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে এসেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাস্তবায়িত 'ভার্চুয়াল টিচার্স নেটওয়ার্ক' মডেলের মাধ্যমে প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের ৩০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সরাসরি ইন্টারঅ্যাক্টিভ ক্লাসরুম চালু হয়েছে।
**ভার্চুয়াল ক্লাসরুমের অনন্য দিক:** - **লাইভ টু-ওয়ে অডিও-ভিডিও:** শিক্ষার্থীরা সরাসরি ঢাকার নটর ডেম বা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের দক্ষ শিক্ষকদের প্রশ্ন করতে পারে। - **থ্রিডি সিমুলেশন ও ভার্চুয়াল ল্যাব:** স্ক্রিনেই রাসায়নিক বিক্রিয়া ও পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র অ্যানিমেশনের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে প্রদর্শন করা হয়। - **স্থানীয় শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি:** ক্লাসে উপস্থিত স্থানীয় শিক্ষকরাও আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করে নিজেদের সমৃদ্ধ করছেন। - **বিনামূল্যে ডিজিটাল কনটেন্ট:** সব ক্লাসের রেকর্ডকৃত ভিডিও অফলাইনে দেখার জন্য স্মার্ট ট্যাবলেটে সরবরাহ করা হয়েছে।
কুড়িগ্রামের রৌমারীর এক স্কুলের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার জানায়, তাদের স্কুলে বিজ্ঞানের কোনো শিক্ষক ছিলেন না, এখন স্ক্রিনে সরাসরি বিজ্ঞান পরীক্ষার ক্লাস করে তাদের কাছে গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান অনেক সহজ ও আনন্দদায়ক হয়ে উঠেছে।
শিক্ষা গবেষকরা বলছেন, এই মডেল সারা দেশে বিস্তৃত করতে পারলে গ্রাম ও শহরের শিক্ষার মানের বৈষম্য কয়েক বছরের মধ্যেই বিলীন হয়ে যাবে।

