বঙ্গোপসাগরীয় আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট বিমসটেকের (BIMSTEC) কানেক্টিভিটি মহাপরিকল্পনায় বাংলাদেশের নবনির্মিত মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরকে প্রধান সামুদ্রিক কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জাপানি পরামর্শক সংস্থার যৌথ মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মাতারবাড়ির গভীর চ্যানেলে ১৮ দশমিক ৫ মিটার ড্রাফটের বিশালাকার মাদার ভ্যাসেল অনায়াসে নোঙর করতে পারছে।
**মাতারবাড়ির ভূ-রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব:** - **ফিডার জাহাজের নির্ভরতা অবসান:** কলম্বো বা সিঙ্গাপুর বন্দরে অপেক্ষা না করে সরাসরি ইউরোপ ও আমেরিকায় কনটেইনার পরিবহন। - **আঞ্চলিক ট্রানজিট সুবিধা:** ভারতের সেভেন সিস্টার রাজ্যসমূহ, নেপাল ও ভুটান সবচেয়ে কম খরচে পণ্য আমদানির জন্য এই বন্দর ব্যবহার করতে পারবে। - **ব্যয় সাশ্রয়:** প্রতিটি রফতানি কনটেইনারে পরিবহন খরচ গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ ডলার কমবে। - **শিল্প করিডোর:** বন্দরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে এলএনজি টার্মিনাল, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও বৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
জাহাজ চলাচল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে মাতারবাড়ি বন্দর বঙ্গোপসাগরের অন্যতম ব্যস্ততম ট্রানজিট হাবে পরিণত হবে, যা বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রতি বছর অতিরিক্ত দেড় শতাংশ প্রবৃদ্ধি যুক্ত করবে।

